আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত কোরবানি ব্যবস্থাপনায় কেআইবি-তে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

গভর্নমেন্ট
Typography
  • Smaller Small Medium Big Bigger
  • Default Helvetica Segoe Georgia Times

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:  পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে চামড়া সংরক্ষণ, নিরাপদ মাংস উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকাস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)-এ অনুষ্ঠিত হয়েছে “কোরবানি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৬”। কর্মশালাটিতে মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী, চামড়া সংরক্ষণকারী এবং ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমের দক্ষতা উন্নয়ন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোহাম্মদ আমিন-উর রশিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী জনাব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জনাব মোঃ শাহজামান খান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধিদপ্তরের প্রশাসন পরিচালক ডাঃ মোঃ বয়জার রহমান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সম্প্রসারণ পরিচালক ডাঃ বেগম শামসুন নাহার আহমদ।

কর্মশালায় একটি পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক কোরবানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ মাংস: পশু জবাই-পরবর্তী সঠিক স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা এবং বৈজ্ঞানিক উপায়ে নিরাপদ মাংস সংরক্ষণ। পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: কোরবানির পর দ্রুত ও পরিবেশসম্মতভাবে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করা। উন্নত চামড়া সংরক্ষণ প্রযুক্তি: কাঁচা চামড়া নষ্ট হওয়া রোধে আধুনিক ও সহজ প্রযুক্তির ব্যবহার।

কর্মশালায় নস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষাতে মেডিকেল টিমগুলোর সক্রিয়তা বৃদ্ধির কথা বলেন বক্তারা।  "সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কোরবানির পশুর উপজাত, বিশেষ করে চামড়া ও মাংসকে মূল্যবান অর্থনৈতিক সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব। এর মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে বক্তাদের আলোচনায় উঠে আসে।"

কর্মশালায় দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে খামারিদের অবদানকে স্মরণ করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। একটি স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব আধুনিক কোরবানি উৎসব উদযাপনে এই ধরনের প্রশিক্ষণ দেশের অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা।