
এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: তরুণদের উদ্দেশ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, “ফ্যাসিবাদের মতো কঠিন রোগ বাংলাদেশ থেকে সড়াতে পেরেছি, তামাক দূর করতে পারব না কেন?” তিনি আরো বলেন, তরুণদের উদ্দেশ্য করেই তামাক কোম্পানিগুলো কূটকৌশল সাজায়। কারণ, ২০-২৫ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের যদি তামাকে আসক্ত করা যায়, তবে তারা অন্তত ৫০ বছর ধরে সিগারেটের বাজার নিশ্চিত করতে পারবে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, পরিবারে পুরুষের সঙ্গে নারী জেলেদেরও কার্ড থাকতে হবে। তিনি বলেন, সরকারের দেওয়া জেলে কার্ডে পুরুষ জেলেদের নামই আসে, মাত্র ৪ শতাংশ সেখানে নারী। পরিবারে একজন চাকরি করলে তিনিই চাকরিজীবী হোন কিন্তু যারা মাছ ধরে তার পুরো পরিবার এ কাজে যুক্ত। এ প্রক্রিয়ায় বেশিরভাগ সময় নারীদের বেশি কাজ করতে হয়। তাই পুরুষ জেলেদের সঙ্গে নারীদেরও কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, অবৈধ জাল ব্যবহারকারীরা দেশের শত্রু। এ ধরনের জাল দিয়ে তারা মানুষের মুখের খাবার কেড়ে নিচ্ছে। তাই কোনো অবস্থাতেই এ জাল ব্যবহারকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

বাকৃবি প্রতিনিধি:আকাশে জমেছে ঘন কালো মেঘ, থেমে থেমে বৃষ্টি আর বিজলির ঝলক সব মিলিয়ে জানান দিচ্ছে, বর্ষা এসে গেছে। কেউ বর্ষার এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটছেন পাহাড়, ঝরনা কিংবা হাওরের সান্নিধ্যে। কেউ আবার ব্যস্ত বৃষ্টিবিলাস আর পিঠা উৎসবে। তবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ব্যতিক্রমী একদল তরুণ বর্ষাকে বরণ করছেন আসুন পরিবেশকে বাঁচায়, প্রকৃতিকে সাজায় সোগ্লানে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এর আঞ্চলিক কেন্দ্র, সৈয়দপুর, নীলফামারী আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি এ উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ইনস্টিটিউটের চলমান পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্প এর অর্থায়নে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, সারা দেশে দেশীয় মাছের সংকট প্রকট হয়ে উঠছে। এই সংকট নিরসনে উন্মুক্ত জলাশয়ের কোন বিকল্প নাই। সরকার দেশের নদ-নদীতে মাছের অভয়ারণ্য তৈরি করতে কার্যক্রম গ্রহণ করছে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, গবাদি প্রাণীতে যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারের ফলে ব্যাকটেরিয়াসমূহে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স তৈরি হচ্ছে। যা মানব সম্পদের জন্য ভবিষ্যতে মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে। মানুষ এবং গবাদি প্রাণী পাশাপাশি থাকলে প্রাণিসম্পদে ক্ষতিকর কিছু ব্যবহার করা হলে তা মানুষের শরীরে ফেরত আসার সম্ভবা তৈরি হয়। তাই আমাদের অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারে সচেতন হতে হবে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, নিরাপদ মাংস, ডিম ও দুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হলে প্রথমেই প্রাণীদের সুস্থ ও রোগমুক্ত রাখা জরুরি। এ লক্ষ্যে সব প্রাণীকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে সরকার ভ্যাকসিন উৎপাদন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করবে। তিনি বলেন, প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া অনেক সংক্রামক রোগ জুনোটিক রোগ হিসেবে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তাই মানুষের স্বাস্থ্য ও প্রাণীর স্বাস্থ্যসেবাকে একসূত্রে গেঁথে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণার আওতায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।