
ইসলামিক ডেস্ক: পবিত্র রজব মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য আত্মশুদ্ধি, তাওবা ও নৈতিক উন্নয়নের এক মহামূল্যবান সময়, যা মানুষকে খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করে সৎপথে ফিরে আসার প্রেরণা জোগায়। এই মাসে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় অন্তর পরিশুদ্ধ করা, অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে নৈতিক অবস্থান নেওয়া এবং সমাজে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার শপথ নতুন করে গ্রহণ করার শিক্ষা দেয়।

ইসলামিক ডেস্ক: পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তায়ালা এই মহাবিশ্বের একমাত্র অধিপতি। একজন মুমিনের জীবনের চূড়ান্ত সফলতা ও প্রশান্তি নির্ভর করে আল্লাহর একত্বের ওপর অটল বিশ্বাসের মাধ্যমে। পবিত্র কুরআনের সূরা আয-জুমারের ৪৪ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন, "বলো, সকল সুপারিশের মালিক একমাত্র আল্লাহ। আকাশ ও পৃথিবীর সার্বভৌম রাজত্ব একমাত্র তাঁরই। তারপর তোমরা তাঁর কাছেই প্রত্যাবর্তিত হবে।"

ইসলামিক ডেস্ক:মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের জন্য নির্ধারিত রিজিক কখনো প্রশস্ত করেন, আবার কখনো সীমিত করে দেন এটি তাঁর পরিপূর্ণ হিকমতের অংশ। পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আনকাবুতের ৬২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন,
“আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা জীবিকা প্রশস্ত করেন এবং যার জন্য ইচ্ছা পরিমিত করে দেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু সম্পর্কে সম্যক অবহিত।”

ইসলামিক ডেস্ক: পবিত্র কোরআনের সূরা ইয়াসিনের ৮০ থেকে ৮৩ নম্বর আয়াতে মহান রাব্বুল আলামিন তাঁর অপরিসীম ক্ষমতা ও সৃষ্টিশীলতার সুস্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি সবুজ বৃক্ষ থেকে আগুন সৃষ্টি করেন; সাধারণ দৃষ্টিতে যা শীতল ও সজীব, সেখান থেকেই তিনি উত্তাপ ও শক্তির উৎস সৃষ্টি করেছেন। এতে প্রমাণিত হয়, আল্লাহ তায়ালার জন্য অসম্ভব বলে কিছু নেই; তাঁর সৃষ্টির প্রতিটি স্তরেই রয়েছে হিকমত ও কুদরতের প্রকাশ।

প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত, নারী স্বাধীনতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এক অনন্য নাম। বাঙালি মুসলিম সমাজে নারী অধিকারের দাবি তুলে ধরার প্রথম কন্ঠস্বর ছিলেন বেগম রোকেয়া। তিনি বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে যে দৃষ্টিভঙ্গি, সাহস ও প্রগতিশীল চিন্তার পরিচয় দিয়েছেন, তা আজও আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। সমাজের গোঁড়ামি, অশিক্ষা ও নারীর প্রতি বৈষম্যের বিরুদ্ধে তাঁর নিরলস সংগ্রাম আমাদের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

ইসলামিক ডেস্ক: পবিত্র কোরআনের সূরা আল-আহযাবের ৩৫ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও মর্যাদাপূর্ণ ভাষায় পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য সমানভাবে কিছু মৌলিক গুণ ও কর্তব্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ইমানদার জীবনের যে মানদণ্ড তুলে ধরেছেন, তা কোনো লিঙ্গভিত্তিক নয়; বরং তাকওয়া, চরিত্র ও আমলের ভিত্তিতেই মানুষের মর্যাদা নির্ধারিত হয় এই চিরসত্যকে আবারও সুদৃঢ় করেছেন।

ইসলামিক ডেস্ক: পবিত্র আল-কুরআনের আশ-শূআরা সূরার ২০১–২০৭ নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছেন যে, সত্য অস্বীকারকারীরা প্রায়ই নসিহত গ্রহণ করে না; কিন্তু যখন আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি আকস্মিকভাবে সামনে এসে দাঁড়ায়, তখন তাদের পূর্বের ভোগবিলাস বা উদাসীনতা কোনো উপকারে আসে না। এই আয়াতগুলো আজকের সমাজেও বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে।