
মোঃ গোলাম আরিফঃআধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বোরো ধান প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২ এপ্রিল ২০২৬ পবনা সদর উপজেলার শাহাপুর ব্লকে এ মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ ড. এস. এম. হাসানুজ্জামান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকল্প পরিচালক বলেন, ব্রি ধান১০৪ হলো বোরো মৌসুমের একটি উন্নত, বাসমতি-টাইপ সুগন্ধি ধানের জাত। চাল লম্বা, চিকন, সাদা এবং সুগন্ধিযুক্ত। হোটেল রেস্তোরায় এ চালে চাহিদা অনেক বেশি। এই জাতের জীবনকাল ১৫০ দিনের মধ্যে। এটি উচ্চ ফলনশীল ও রোগবালাই সহনশীল জাত ৷ সঠিক সময়ে চাষাবাদ করলে ৭ টন/হেক্টর ফলন পাওয়া সম্ভব। তিনি আরো বলেন বর্তমান সময়টা কৃষির জন্য খুব চ্যালেঞ্জিং৷ কৃষি বাঁচলে দেশ বাঁচবে৷ বোরো মৌসুমে সেচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ সেচ পরিচালনার জন্য কেউ ডিজেল মজুদ করবেন না ৷ ধৈর্য্য ধরুন, জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করুন তাহলেই সুফল পাবেন ৷
অনুষ্ঠানে সভাপত্বিত করেন পাবনা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জাকিরুল ইসলাম। সভাপতি তার বক্তব্যে উপস্থিত কৃষকের উদ্দশ্যে বলেন, পাবনা সদর উপজেলায় রাসায়নিক সারের কোন সংকট নেই ৷ সারের দাম বেশী নেওয়ার কোন সুযোগ নাই ৷ নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। আপনারা প্রতি মাসেই সার পাবেন ৷ তাই কেউ অতিরিক্ত সার মজুদ করবেন না ৷ তিনি আরো বলেন ব্রি ধান১০৪ বোরো মৌসুমের একটি উচ্চ ফলনশীল প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ধানের জাত ৷ আপনারা এই জাতের ধান আবাদ করে লাভবান হবেন। ব্রি ধান১০৪ বাসমতি চালের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষকদের আয় বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন পাবনা সদর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ শৈলেন কুমার পাল, উপসহকারী কৃষি অফিসার মোঃ মাজেদুল হক ও মোঃ ওমর ফারুক খান এবং দাপুনিয়া ইউনিয়নের ৬০ জন প্রগতিশীল কৃষক-কৃষাণী। অনুষ্ঠানে ব্রি ধান১০৪ এর চাষাবাদ ও বোরো ধানের জাত নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়।
























