
ইসলামিক ডেস্ক: ফলমূল, শস্যদানা কিংবা জমিনে উৎপাদিত প্রতিটি জিনিসই মহান আল্লাহর অগণিত নিয়ামতের অংশ। আল্লাহ তায়ালা তাঁর অসীম ক্ষমতায় আকাশ-জমিনের সবকিছু মানুষের কল্যাণের জন্যই সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হওয়া সত্ত্বেও প্রায়শই এই নিয়ামতের প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকে।

ইসলামিক ডেস্ক: ইসলাম মানুষের চরিত্র গঠনে ধৈর্য, সহনশীলতা ও সংযমকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছে। রাগ বা বদমেজাজ এমন এক নৈতিক দুর্বলতা, যা শুধু ব্যক্তিগত জীবন নয়, পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কও নষ্ট করে দিতে পারে। কুরআন ও হাদিসে এ ব্যাপারে স্পষ্টভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

ইসলামিক ডেস্ক: ইসলাম ধর্মে ন্যায়বিচার ও সততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গুণ হিসেবে বিবেচিত। বাণিজ্য ও দৈনন্দিন লেনদেনেও ইসলামের এই নীতিমালা কঠোরভাবে প্রযোজ্য। অথচ আজকাল বাজারে ও ব্যবসা-বাণিজ্যে অনেকেই মাপে ও ওজনে কম দেওয়ার প্রবণতায় লিপ্ত, যা ইসলামী শিক্ষার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

ইসলামিক ডেস্ক: ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, কেবল শারীরিকভাবে সুস্থ ব্যক্তিদেরকেই হজের জন্য নিবন্ধন করাতে হবে। শারীরিক সক্ষমতা না থাকলে কাউকে হজে নেওয়া যাবে না।

ইসলামিক ডেস্ক: বর্তমান সময়ের সামাজিক অস্থিরতা, পারিবারিক টানাপোড়েন ও বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও ইসলামের একটি অমোঘ শিক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে "সবর" বা ধৈর্য এবং "হিলম" বা সহনশীলতা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন” (সূরা আল-বাকারা: ১৫৩)।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, মানবসেবা অত্যন্ত মহৎকর্ম। সকল ধর্মেই মানবসেবাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

ইসলামিক ডেস্ক: ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যেখানে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক, সহানুভূতি ও দায়িত্ববোধের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অসুস্থদের খোঁজখবর নেওয়া বা রোগী দেখতে যাওয়া। বর্তমান সমাজে প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে আমাদের মাঝে ব্যক্তিগত যোগাযোগ কমে যাচ্ছে, মানুষ ধীরে ধীরে একে অপরের খোঁজ রাখা ভুলে যাচ্ছে। অথচ ইসলামে রোগী দেখতে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, যা মানুষকে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে এগিয়ে নেয়।