গোদাগাড়ীতে ব্র্যাকের সিমেন ব্যবহারকারী শীর্ষ ২০ জন খামারিকে পুরস্কার প্রদান

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:গবাদিপশুর জাত উন্নয়ন এবং দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশব্যাপী বাছুর প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য বাছুর প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। বুধবার (২৯ এপ্রিল) গোদাগাড়ী উপজেলার কাশেমপুর স্কুল মাঠে ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের সিমেন ব্যবহার করে উৎপাদিত বাছুর প্রদর্শন করা হয় এবং শীর্ষ ২০ জন খামারিকে পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কবীর উদ্দিন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা ডীন ডা. মো. জালাল উদ্দিন সরদার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপপরিচালক ডা. মো. এমরান আলী প্রাং, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শায়লা শারমিন এবং ব্র্যাক জেলা সমন্বয়কারী মোমেনা খাতুন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুর রহমান।

স্বাগত বক্তব্যে আঞ্চলিক বিক্রয় ব্যবস্থাপক মো. মোবাশ্বের হোসেন পলাশ বলেন, আধুনিক কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নত জাতের গবাদিপশু উৎপাদন সম্ভব, যা দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও শক্তিশালী করবে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মুহাম্মদ আল হেলাল মন্ডল, ডা. রোমানা আক্তার এবং এরিয়া সেলস ম্যানেজার মো. ইউনুস আলী।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উন্নত জাতের বাছুর উৎপাদন এবং খামারিদের উদ্বুদ্ধ করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একইসঙ্গে কৃত্রিম প্রজনন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে “সুখের খনি” শীর্ষক নাটক মঞ্চস্থ করা হয়, যা উপস্থিত খামারিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে।

আয়োজকরা জানান, বাছুর প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ কর্মসূচির মাধ্যমে খামারিদের মধ্যে উন্নত জাত সম্প্রসারণ, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং বৈজ্ঞানিক খামার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।