
ইসলামিক ডেস্ক:ইসলামে যাকাত একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তবে কাদের যাকাত দেওয়া যাবে আর কাদের দেওয়া যাবে না এ বিষয়ে রয়েছে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা। হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “ধনী ও কর্মক্ষম ব্যক্তির জন্য যাকাতে কোনো অংশ নেই।” সুনান আবু দাউদ
ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, যাকাত মূলত তাদের জন্য নির্ধারিত, যারা প্রকৃত অর্থে অভাবগ্রস্ত এবং নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে অক্ষম। কোনো ব্যক্তি যদি নগদ অর্থ হাতে না রাখেন, কিন্তু চাকরি, ব্যবসা বা অন্য বৈধ উৎস থেকে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত আয় করেন, তাহলে তিনি যাকাত গ্রহণের উপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হবেন না।
উলামায়ে কেরাম বলেন, যাকাতের উদ্দেশ্য হলো সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের দুঃখ লাঘব করা এবং সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা। কর্মক্ষম ও স্বাবলম্বী ব্যক্তিকে যাকাত দিলে প্রকৃত অভাবীদের অধিকার ক্ষুণ্ন হতে পারে।
তাই যাকাত প্রদান করার আগে প্রাপকের আর্থিক অবস্থা ও সামর্থ্য যাচাই করা জরুরি। ইসলামি বিধান মেনে সঠিক ব্যক্তির কাছে যাকাত পৌঁছে দিলে তা ইবাদত হিসেবে কবুল হওয়ার পাশাপাশি সমাজে ন্যায়ভিত্তিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।
আসুন আমরা যারা সামর্থ্যবান ও যাকাত দেওয়ার সুযোগ আছে এই রমজানে সেটি আদায় করার চেষ্টা করি। নিশ্চয়ই এই রমজানে অধিক সওয়াবের সুযোগ রয়েছে।-আমিন
























