
মোঃ গোলাম আরিফঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৪ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি: তথা ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ টাঙ্গাইল জেলায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বর্ণিত “কৃষক কার্ড” কার্যক্রমের প্রি পাইলটিং এর শুভ উদ্বোধন ও কৃষকদের মাঝে বিতরণ করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় উথলি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে একই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয় । এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মোঃ আব্দুল বারী ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বগুড়া’র মহাপরিচালক মোঃ আব্দুল মজিদ প্রামানিক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়া অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ, বগুড়া’র জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়া’র উপপরিচালক কৃষিবিদ সোহেল মোঃ শামসুদ্দীন ফিরোজ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী কথার চেয়ে কাজে বেশি বিশ্বাসী। তিনি যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করেন। আজ কৃষকদের হাতে “কৃষক কার্ড” তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে আরও একটি প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলন ঘটল। বগুড়া ফসল উৎপাদনে উদ্বৃত্ত একটি জেলা। শুধমাত্র শিবগঞ্জ উপজেলা ৭০০ মেট্রিকটন উদ্বৃত্ত খাদ্য সারাদেশে সরবরাহ করছে। তিনি আরও বলেন, কৃষকদের এই কার্ড দেওয়ার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের এক নতুন হালখাতা খুললেন। এই কার্ডের মাধ্যমে সরকারের দেওয়া প্রণোদনা, ভর্তুকি ও অন্যান্য সহায়তাসহ ১০ টি সেবা সরাসরি কৃষকদের কাছে পৌঁছে যাবে, যা দেশের কৃষক তথা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
“কৃষক কার্ড” প্রাপ্ত কৃষক-কৃষাণীরা বলেন, কৃষি আমাদের আদি পেশা। জন্মের পর থেকেই আমরা কৃষি কাজ করে যাচ্ছি। রোদ, বৃষ্টি, খরা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মাথায় নিয়ে কষ্ট করে ফসল ফলায়। আমরা আমাদের কষ্টের নায্যমূল্য পায় না। বর্তমান সরকার “কৃষক কার্ড” প্রদানের মধ্য দিয়ে আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছেন এবং সম্মানিত করেছেন। আমরা খুবই আনন্দিত। এই কার্ডের মাধ্যমে আমরা সরকারি ভর্তুকি, প্রণোদনা, প্রশিক্ষণ পাবো; নায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ, যন্ত্রপাতি ক্রয় করতে পারবো; সহজ শর্তে কৃষি ঋণ নিতে পারবো। যা আমাদের কৃষি উৎপাদনকে বেগবান করবে এবং কৃষি কাজ করতে আরো অনেক বেশি উৎসাহিত করবে।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লকের মোট ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষকের মাঝে প্রি পাইলটিং পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে “কৃষক কার্ড” বিতরণ করা হয়।
























