পাবনা’য় রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

গোলাম আরিফ: পাবনা’য় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন (২ সংশোধিত) প্রকল্পের আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়া অঞ্চলের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে ১০ জানুয়ারি ২০২৬ পাবনার রত্নদ্বীপ রিসোর্টে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মোঃ আব্দুর রহিম, মহাপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা।

প্রধান অতিথির বক্তব্য মহাপরিচালক বলেন, কৃষি আবহাওয়া দিন দিন অনেক বেশি পরিবর্তনশীল হয়ে উঠছে। যার ফলে অতিরিক্ত ঠান্ডা, শৈতপ্রবাহ, কুয়াশা, তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাতে বড় ধরণের পরিবর্তন আসছে, যা কৃষিকাজ ও ফসলের উৎপাদনশীলতাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে এবং কৃষকদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এ জন্য কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে বিশেষ পরামর্শ প্রদান ও তদারকি করতে হবে।

প্রধান অতিথি বলেন দিন দিন আমাদের মাটির স্বাস্থ্য নষ্ট হচ্ছে, মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগের নিচে নেমে যাচ্ছে। এর থেকে পরিত্রাণের জন্য কৃষকদের জমিতে পরিমিত রাসায়নিক সার প্রয়োগ ও বেশি পরিমাণে জৈব সার ব্যবহারের প্রতি সচেতনতা বাড়াতে হবে। প্রধান অতিথি আরো বলেন, বিগত ৫৪ বছরে কৃষির উল্লেখ্রযাগ্য উন্নয়ন হয়েছে, এখন আমাদের নিরাপদ কৃষি নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপদ কৃষি পণ্য রপ্তানির জন্য আন্তর্জাতিক নীতিমালা মেনে উৎপাদনে অগ্রসর হতে হবে। এ জন্য কন্টাক্ট ফার্মিংয়ের মাধ্যমে জৈব্য পদ্ধতি, আইপিএম, উত্তম কৃষি চর্চা নীতিমালা অনুসরণ ফসল উৎপাদনের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ, অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বগুড়া অঞ্চল, বগুড়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মোঃ মতলুবর রহমান, অধ্যক্ষ, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, ঈশ্বরদী, পাবনা।

কর্মশালায় প্রকল্পের কার্যক্রম, বার্ষিক তদারক ও পর্যালোচনা এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অত্র প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ ড. এস এম হাসানুজ্জামান। প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম, অর্জন ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে অঞ্চলের জেলা ও ও উপজেলাসমূহ পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন।

কর্মশালায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়া অঞ্চলের জেলা ও উপজেলা’র র্কমর্কতাবৃন্দ, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, র্হটকিালচার সন্টোর, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী, এআইএস, প্রকল্পের কর্মকর্তাসহ ১০০ জন উপস্থিত ছিলেন।