
এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ইন্টার্নশিপ ফিডব্যাক, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পুনর্মিলনী ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান।
আজ সকাল সাড়ে ৯টায় সিভাসু অডিটোরিয়ামে ইন্টার্নশিপ ফিডব্যাক প্রোগ্রামের মাধ্যমে শুরু হয় মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের দিনব্যাপী আয়োজন। উক্ত ফিডব্যাক প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো: নূরুল হক, ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, ফুড সায়েন্স ও টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শামছুল মোর্শেদ, পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. এ.কে.এম. সাইফুদ্দিন এবং নিরিবিলি গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার সুজয় বড়ুয়া।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শেখ আহমাদ আল নাহিদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ইন্টার্নশিপ কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো: মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর।
সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া তেরেঙ্গানু (ইউএমটি) এবং মৎস্য সংশ্লিষ্ট দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তিন মাসের ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের নবম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। এই উপলক্ষ্যে উক্ত ইন্টার্নশিপ ফিডব্যাক প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রায় ২০ কোটি মানুষের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করার দায়িত্ব মূলত মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের সদস্য যারা রয়েছেন, মৎস্যখাতের সাথে যারা রিলেটেড, কৃষির সাথে যারা রিলেটেড তাদের ওপরই বর্তায়। আমরা কৃষিবিদরাই কিন্তু এদেশের মানুষের খাদ্যের চাহিদা, পুষ্টির চাহিদা পূরণ করছি। সুতরাং বাংলাদেশের উন্নয়নে আমাদের যে অবদান সেটা অনস্বীকার্য।’
তিনি আরো বলেন, ‘ভবিষ্যতে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য আমাদের দিকেই তাকিয়ে আছে সারাদেশের মানুষ। আমরা যদি এগিয়ে না আসি তাহলে দ্বিতীয় কোন প্রফেশন নেই যারা কৃষি সেক্টরে অবদান রেখে এদেশের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে।’ সদ্য ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করা ফিশারিজ অনুষদের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য বলেন, ‘তোমরা যে জ্ঞান অর্জন করেছো তা তোমাদের কর্মক্ষেত্রে অত্যন্ত যোগ্যতা ও দক্ষতার সাথে ব্যবহার করবে। নিজেদেরকে যোগ্যতর নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। তোমাদের হাত ধরে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। এটাই তোমাদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা।’
এর আগে ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রেজেন্টেশন দেন ফিশারিজ অনুষদের নবম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আল ফাহিম এবং সাদিয়া আক্তার লিজা। ইন্টার্নশিপ ফিডব্যাক প্রোগ্রামের পর একে একে অনুষ্ঠিত হয় অন্যান্য কর্মসূচি।
























