
সমীরণ বিশ্বাস:৪র্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে (4IR) কৃষিতে AI, IoT, ড্রোন ও বিগডাটা প্রযুক্তিতে যুবশক্তি ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ ও করণীয়: চতুর্থ শিল্প বিপ্লব (4IR) বিশ্বব্যাপী উৎপাদন, অর্থনীতি ও শ্রমবাজারের কাঠামোকে দ্রুত বদলে দিচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ইন্টারনেট অব থিংস (IoT), সয়েল সেন্সর, ড্রোন প্রযুক্তি এবং বিগডাটা বিশ্লেষণ, এই চারটি প্রযুক্তি কৃষিকে নতুনভাবে রূপান্তরের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। উন্নত দেশগুলো ইতোমধ্যে “স্মার্ট এগ্রিকালচার” বা “প্রিসিশন ফার্মিং”-এর মাধ্যমে কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে এখনো এই প্রযুক্তিগুলোর কার্যকর সমন্বয় ও প্রয়োগ সীমিত। ফলে কৃষি খাতে আগ্রহী যুবশক্তিকে ধরে রাখা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তি-নির্ভর কৃষির বিস্তার শুধু উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য নয়, বরং একটি টেকসই ও আকর্ষণীয় কৃষি ইকোসিস্টেম তৈরির জন্য অপরিহার্য।

ডক্টর এএইচএম সাদেকঃ খাল থেকে অর্থনীতি শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বপ্নে বাংলাদেশের Blue-Green বিপ্লব ও টেকসই উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত। বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান-এর “খাল খনন কর্মসূচি” (Canal Excavation Programme) ছিল দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি উন্নয়নের জন্য একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লবের উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। তারই উত্তরেধিকারী প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় শহীদ জিয়ার সেই অসমাপ্ত খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেন।

সমীরণ বিশ্বাস:ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে বিভ্রান্তি: সংকীর্ণতার রাজনীতি, না জ্ঞানের ঘাটতি ? বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে ঘিরে যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে, তা কোনো বাস্তবতার প্রতিফলন নয়; এটি একটি কৃত্রিম নির্মাণ। বাংলা ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম, এই সরল সংজ্ঞা দিয়ে এর গভীরতা ও তাৎপর্যকে ব্যাখ্যা করা যায় না। একটি জাতির আত্মপরিচয়, ইতিহাস, চিন্তা-চেতনা ও সাংস্কৃতিক বিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী ধারক হলো তার ভাষা। সেই অর্থে বাংলা ভাষা বাঙালি জাতিসত্তার মেরুদণ্ড। হাজার বছরের ইতিহাস, বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং নানা ধর্মীয়-সামাজিক প্রভাবের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা এই ভাষা আজও বহন করছে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনবোধ, আবেগ ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা।

ডক্টর এএইচএম সাদেক:ব্রেটন উডস থেকে নিক্সন শকের মাধ্যেম পেট্রোডলার সাম্রাজ্য গড়ে উঠে। পেট্রোডলার (Petrodollar) সাধারণভাবে সেই মার্কিন ডলারকে বোঝায় যা আন্তর্জাতিক বাজারে তেল কেনাবেচার প্রধান মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সহজভাবে বললে, বিশ্ববাজারে তেল কিনতে হলে বিশ্বের দেশগুলো মার্কিন ডলার ব্যবহার করতে হয় বা করতে বাধ্য । ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে (Global economy) ডলারের চাহিদা স্থায়ীভাবে বজায় থাকে। ব্যতিক্রম কয়েকটি দেশ বাদে প্রায় সবাই ডলার ব্যবহার করে। এই ব্যবস্থার কারণে বিশ্বের প্রায় সব দেশকে তাদের বৈদেশিক মুদ্রার (foreign currency) রিজার্ভে ডলার রাখতে হয়।

এস এম মুকুল: হাওরে কাঁচা-পাকা ধানের শিষগুলো কৃষকের একমুঠো সুখে থাকার আশা যখন অসময়ে পাহাড়ি ঢলে পানির নিচে তলিয়ে যায়- তখন কেমন লাগে ভাবতে পারেন। আচ্ছা পানি উন্নয়ন বোর্ড, কৃষি মন্ত্রণালয়, হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর, ‘হাওর এলাকায় আগাম বন্যা প্রতিরোধ ও নিষ্কাশন উন্নয়ন প্রকল্প’, ‘হাওর এলাকায় বন্যা ব্যবস্থাপনা ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন প্রকল্প’ কিসের জন্য করা হয়েছে?

অঞ্জন মজুমদারঃ গত ১০ মাসে দেশের ডিমের বাজারে যে অস্বাভাবিক মূল্যপতন দেখা যাচ্ছে, তা শুধু একটি সাময়িক বাজার সংকট নয়—এটি দেশের পুরো পোল্ট্রি সেক্টরের জন্য গভীর উদ্বেগের সংকেত। আজ (০৩.০৪.২০২৬ ইং) প্রান্তিক খামারিরা প্রতিটি ডিম বিক্রি করছেন গড়ে ৭.২৫ টাকায় (জেলা ভিত্তিক স্থানভেদে একটু কম বেশি হতে পারে), যেখানে সরকারি হিসাব অনুযায়ী একটি ডিম উৎপাদনে খরচ বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে, হিসাব করা হয়েছিল ১০.১৯ টাকা অর্থাৎ প্রতি ডিমে খামারিরা এখন সরাসরি লোকসান গুনছে প্রায় ২.৫০ থেকে ৩ টাকা। এই পরিস্থিতি আরো দীর্ঘদিন চলতে থাকলে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিদের টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে—যা শেষ পর্যন্ত জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও বাজার স্থিতিশীলতার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।