
এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: আজ সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা-এর উদ্যোগে ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের “মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্প”-এর আওতায় একটি সফল মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। বান্দারবান সদরের বালাঘাটা ব্লকের লেমুঝিরি আগাপাড়ায় অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক থানজামা লুসাই, মাননীয় চেয়ারম্যান, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ; জনাব লাল জারলম বম, সদস্য, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ এবং জনাব লিটন দেবনাথ, উপপরিচালক, হর্টিকালচার সেন্টার বালাঘাটা, বান্দরবান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আব্দুল গাফফার, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা; জনাব আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, সভাপতি, বান্দরবান প্রেস ক্লাব; জনাব মোঃ রাকিবুল হাসান, উপজেলা কৃষি অফিসার, বান্দরবান সদর এবং জনাব মোঃ এহসানুল হক, উপজেলা কৃষি অফিসার, রোয়াংছড়ি, বান্দরবান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
মাঠ দিবসের মাধ্যমে উপস্থিত কৃষক-কৃষাণীগণ মাশরুমের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্য উপকারিতা ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করেন। পাশাপাশি স্বল্প পুঁজি ও সীমিত জায়গায় মাশরুম চাষ করে কিভাবে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া যায় সে বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। অংশগ্রহণকারীগণ ভবিষ্যতে মাশরুম চাষে উদ্যোগী হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে প্রধান অতিথি অধ্যাপক থানজামা লুসাই বলেন, মাশরুম পাহাড়ি অঞ্চলের জন্য একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ফসল। এর চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। তিনি মাশরুম চাষে পার্বত্য জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।
সভাপতির বক্তব্যে জনাব আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন মাশরুম চাষের বহুমুখী উপকারিতা তুলে ধরে কৃষকদের বাজারমুখী ও টেকসই উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করেন এবং প্রকল্পের কার্যক্রমকে সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উক্ত মাঠ দিবসে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ২০০ জন কৃষক-কৃষাণী ও উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে পুষ্টি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য হ্রাসে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যকর ভূমিকা প্রতিফলিত হয়েছে।
























